জয় গোস্বামীর সঙ্গে আমার পরিচয় অনেক দিনের।
ট্রেনের বাইরের অন্ধকারে, সারি সারি নিয়ন আলোদের দেখে
যখন নিজেকে খুব একা লাগত, তখন থেকে।
পরিচয় ছিল শব্দ আর গল্প মালায়।
মালতিবালা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে কত দুপুর কেটেছে।
বেনিমাধবকে পেলে ভীষণ পেটাতাম আর উদোম খিস্তি,
এই ফাঁকে চুপি চুপি, সেলাই দিদিমণিকে বড্ড ভালবাসি।
দিদিমণিতো বেনিমাধবকে......। আমাকে চোখেই পরেনি...
ফিরে গেছি ‘ স্নান থেকে, প্রেম থেকে, সৌন্দর্য থেকে’...
লোকটা অনেকদিন আমার সাথে অনেক অনেক গল্প করেছে-
সেগুলো সব পাতার গায়ে, সেগুলো সব কুয়াশা হয়ে
প্রথম রোদের হাত ধরে ঘাসের ওপর পড়ে থাকত।
বেলা হলেই ফুড়ুৎ চড়াই, আমি তখন ইশকুলে যাই।
ভাবিনি তখনও কাঁচা পাকা গোঁফ, বড় বড় দাঁড়ি পাঞ্জাবি...।
ছবিতে তো অনেকবার... একদমই চেনা যায়নি
কবিতারা পাঞ্জাবি গায়, শব্দদের দাড়ি আছে,
ভাবতে খুব অবাক হতাম, রূপকথারা কথাও বলে।
শরীর তুমি খুব অচেনা, তোমায় আমি চিনি না,
চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, সে আমার কেউই না।
আমার জয় শব্দে থাকে, কবিতার বইয়ের পাতায়,
আমার মনকেমন করা, মেঘবালিকার রূপকথায়।
সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে, লাজুক লাজুক মুখচোরা,
সে সব্বার বড় কবি, সে আমার কবি ই না।
No comments:
Post a Comment